উত্তরের সঙ্গে সংঘাতের আশঙ্কা দক্ষিণ কোরিয়ার
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন গতকাল বুধবার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সীমান্তে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক সংঘাতের ব্যাপক আশঙ্কা আছে। পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার কারণে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এ কথা বললেন প্রতিবেশী দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট।
মাত্র গত সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন মুন জে-ইন। তাঁর শপথ নেওয়ার পর পিয়ংইয়ং গত রোববার তাদের এযাবৎকালের সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে।
গতকাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে যান মুন। সেখানে তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ও রকেট কর্মসূচি ‘দ্রুতগতিতে’ এগিয়ে চলেছে। মুন বলেন, ‘আমি উত্তরের এই উসকানি ও পরমাণু হুমকি কখনোই সহ্য করব না।’ এ সময় তিনি ‘নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা’ গড়ে তুলতে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।
মুন বলেন, ‘আমরা এমন এক বাস্তবতার মধ্যে আছি, যখন কোরীয় উপকূলের পশ্চিমের বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমায় বা স্থলসীমান্তে ব্যাপক সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।’
প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই উত্তর কোরিয়াকে আলোচনার টেবিলে আনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বামঘেঁষা মুন। কিন্তু গত রোববার প্রতিবেশী দেশটি নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পর তিনি বলেন, ‘পিয়ংইয়ং আচরণ পাল্টালেই’ কেবল আলোচনা সম্ভব।
একটি অস্ত্রবিরতি চুক্তির মধ্য দিয়ে ১৯৫০-৫৩ সময়ে চলা কোরীয় যুদ্ধ শেষ হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবসান হয়নি। তাই দুই কোরিয়া কাগজে-কলমে এখনো যুদ্ধে লিপ্ত।
মাত্র গত সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন মুন জে-ইন। তাঁর শপথ নেওয়ার পর পিয়ংইয়ং গত রোববার তাদের এযাবৎকালের সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে।
গতকাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে যান মুন। সেখানে তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ও রকেট কর্মসূচি ‘দ্রুতগতিতে’ এগিয়ে চলেছে। মুন বলেন, ‘আমি উত্তরের এই উসকানি ও পরমাণু হুমকি কখনোই সহ্য করব না।’ এ সময় তিনি ‘নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা’ গড়ে তুলতে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।
মুন বলেন, ‘আমরা এমন এক বাস্তবতার মধ্যে আছি, যখন কোরীয় উপকূলের পশ্চিমের বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমায় বা স্থলসীমান্তে ব্যাপক সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।’
প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই উত্তর কোরিয়াকে আলোচনার টেবিলে আনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বামঘেঁষা মুন। কিন্তু গত রোববার প্রতিবেশী দেশটি নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পর তিনি বলেন, ‘পিয়ংইয়ং আচরণ পাল্টালেই’ কেবল আলোচনা সম্ভব।
একটি অস্ত্রবিরতি চুক্তির মধ্য দিয়ে ১৯৫০-৫৩ সময়ে চলা কোরীয় যুদ্ধ শেষ হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবসান হয়নি। তাই দুই কোরিয়া কাগজে-কলমে এখনো যুদ্ধে লিপ্ত।
No comments