ফ্রীল্যান্সীং বা আউটসোরসিং নিয়ে আলোচনা ।( নতুনদের জন্য )

              ফ্রীল্যান্সীং বা আউটসোরসিং নিয়ে আলোচনা ।( নতুনদের জন্য )
                                                                        - নাসিম আল রাকিস।




ফ্রীল্যান্সীং বা আউটসোরসিং ! অনেকে আমার কাছে এসব বিষয় জানতে চান।তাহলে আজ যেনে নিন, এটা হলো একটা স্বাধীন পেশা।অনেকে ভাবছেন কি শিখবেন, কি ভাবে শিখবেন, আবার অনেকে হয়তো বিভিন্ন ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে কোন রকমে শিখেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন কিন্তু সফলতা পাচ্ছেন না।হয়তো ফ্রীল্যান্সীং বা আউটসোরসিং করে এমন আপনার অনেক সফল ব্যাক্তি বা বন্ধু আপনার সাথে পরিচিত থাকার কারনে আপনার হতাশা হয়তো আরও বেড়ে যাচ্ছে। আসলে তাদের এই সফলতা একদিনে আসে নি ।তারা কঠোর শ্রম আর ধৈরয ধারণ করেছেন, ফ্রীল্যান্সীং বা আউটসোরসিং এইসব শিখতে আর সফলতা অরজন করতে আপনার মাঝে ধৈরয ধারণ করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
ফ্রীল্যান্সীং এর একটা ধাপ নিয়ে আলোচনা শুরু করা যাক:
প্রথমেই কন্টেন্ট রাইটিং: যেহেতু নতুনদের জন্য বলছি, আপনি যদি ভাল ইংরেজি জানেন তো খুব কম সময়ের মধ্যে কন্টেন্ট বা আর্টিকেল রাইটিং করে কিছু আরনিং শুরু করতে পারেন। আমার লেখা কথাগুলো ভালোভাবে পড়ে সুযোগ বুঝে একে পার্ট টাইম থেকে ফুল টাইম পেশা করে নিতে পারেন।

কন্টেন্ট রাইটিং বলতে কি বুঝেন?
লেখাটা যেহেতু নতুনদের জন্য তাই সহজ ভাবেই বলছি – আপনি যদি কন্টেন্ট রাইটিং এই প্রথম শুনে থাকেন তবুও আর্টিকেল রাইটিং নিশ্চয় শুনে থাকবেন।তবে অনেকে মনে করছেন আর্টিকেল রাইটিং মানে কি A,AN,THE কে আর্টিকেল বলে সেটিই কি,আমিও প্রথমে এটিই মনে করছিলাম্। আসলে এটা কিন্তু সেই আর্টিকেল না।ঘাবড়াবেন না, না শুনে থাকলেও সমস্যা নেই –আমার থেকে শুনে নিন। কোন একটি বিষয়ের উপর লেখা লেখি করা হচ্ছে আর্টিকেল রাইটিং।যেমন – কোন ওয়েবসাইট এর জন্য, কোন ভাষণ বা ক্লাশ লেকচার, কোন পণ্য বা অন্য কিছুর উপর আলোচনা বা সমালোচনা মুলক অথবা কোন এক শ্রেনিবিশেষ এর জন্য যে কোন লেখা হতে পারে বা খবরের কাগজে, ম্যাগাজিনে, অনলাইনে ও লেখা লিখি হতে পারে । এইসব আর্টিকেল যখন কোথাও প্রকাশিত করা হয় তখন তাকে আমরা কন্টেন্ট বলে।


এখন অনেকেই ভাবছেন,এটাকে পেশা না পার্ট টাইম হিসেবে নিবেন,আর কিভাবে কত আয় করবেন?

কন্টেন্ট রাইটিং পার্ট টাইম নাকি পেশা হিসাবে নিবেন। এটি কেউ আমার কাছে জানতে চাইলে,আমি বলবো এটি প্রথমে নেশা হিসাবে নেয়ার জন্য্। কারণ নেশা জিনিস টা কেউ চাড়তে পারে না,আর এই নেশার পিছনে পড়ে থাকলে আপনি সফল হবেন্।আমি নিজেই এটিকে নেশা হিসাবে নিয়েছিলাম। তাহলেই আপনি সঠিক সময়ে বুঝতে পারবেন এটি আপনার জন্য পেশা হিসেবে নেয়া ঠিক হবে কিনা। আমি মনে করি, অনলাইন জগতে সবচেয়ে বেশি চাহিদা কন্টেন্ট এর। এই জগতটি যত বড় হচ্ছে রাইটারের অভাব ততই বাড়ছে। এবং ভালো রাইটার ও দিন দিন বাড়ছে।এই জগতটাতে সবাই নতুন কিছু জানতে আসে, কারো পুরোনো কনটেন্ট গুগল থেকে সাচ করে লিখে দিবেন ভাবছেন? এটা কিন্তু কপিরাইট, আর এই কপিরাইট কনটেন্ট ক্লাইন্ট চেক করলে আপনি ধরা পরবেন, কপিরাইট কনটেন্ট ক্লাইন্ট কখনো আপনার কাছ থেকে নিবে না।এতএব বুঝতেই পারছেন এখানে কাজ পেতে হলে আপনাকে ভালো মানের নতুন কিছু লিখতে হবে্ ।
আমার অভিঙ্গতা থেকে দেখলাম, প্রতিদিন ২-৩ ঘণ্টা কাজ করে শুরুর দিকে মাসে আপনি ৫০০০-৭০০০ টাকা আয় করতে পারবেন। কনটেন্ট এর মান ভাল হলে ১০,০০০-১৫,০০০ টাকা আয় করা সম্ভব। তবে আপনি যদি Fiverr,UpWork, Freelancer, Belancer এর মত মার্কেটপ্লেসেগুলুতে কাজ করতে পারেন তবে প্রতি আর্টিকেলে আপনি $5-$10-$15 মূল্য পেতে পারেন।
এতোক্ষণ আমি যা আপনাদের উদ্দেশ্য লিখলাম,এটাও একটি আর্টিকেল বা কনটেন্ট। আপনাকে সবসময় অন্যের জন্য নতুন কিছু লিখতে হবে।আর তা কখনো কারো কপিলেখা হতে পারবে না।

[ বিদ্র:আমি সহজ ভাবে বলে গেলাম, আপনি কিন্তু এটি এতো সোজা মনে করবেন না। এ সবের জন্য আপনাকে অবশ্যই একজন ভাল ইউনিক রাইটার হতে হবে। ]

No comments

Powered by Blogger.